হাজীগঞ্জের পৌরসভাধীন মকিমাবাদ এলাকায় কোনো নোটিশ বা অনুমতি ছাড়াই পৌরবাসীর বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর বসতবাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাজীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ।দিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত মো. শরিফ হোসেন।
অভিযোগে তিনি হাজীগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ইঞ্জি. মো. ইদ্রিস মিয়া ও ঠিকাদার শওকতকে বিবাদী করে থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে শুক্রবার সকালে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মকিমাবাদ করিম বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, শরিফের বসতবাড়ি সংলগ্ন পৌরসভার ড্রেন নির্মান কাজ চলমান রয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে থাকায় এবং তাদের অবর্তমানে পৌরসভা কর্তৃক বাড়ির সীমানা প্রাচীরটি ভেঙ্গে ফেলা হয়। এতে তার কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি এবং বাড়িটি নিরাপত্তাহীনতায় পড়ে।
তিনি পৌরসভার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, পৌরসভা থেকে আমাকে কোন প্রকার পূর্ব নোটিশ দেওয়া হয়নি। তারা আমাকে অবহিত না করেই বাড়ির বাউন্ডারি ওয়াল (সীমানা প্রাচীর), গাছপালা ও সিসিটিভি’সহ বাউন্ডারী গেইট ভাংচুর করে। এতে অনুমান ২০ লাখ টাকার ক্ষতি বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আকবর হোসেন সংবাদকর্মীদের জানান, পৌরসভা থেকে ওই পরিবারকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে। কিন্ত তারা সুরাহা না করায় জনস্বার্থে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দেয়াল (সীমানা প্রাচীর) ভেঙ্গে দিয়েছে।
হাজীগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ইঞ্জি. মো. ইদ্রিস মিয়া সংবাদকর্মীদের জানান, দেয়াল নির্মাণের অনুমতি নেই। তাছাড়া, আইন অনুযায়ী রাস্তা থেকে পাঁচ ফুট দুরত্মে স্থাপনা নির্মাণ করতে হয়। তারা আইন মানেনি। তাই, জনস্বার্থে এবং ড্রেন নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখতে সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: 






















