ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে অগ্নিকাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের এসি মিজানের আর্থিক সহায়তা প্রদান

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩
  • ৭৬ Time View

মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ বাজারে অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান (এসি মিজান)।

মনিরুল ইসলাম মনির:
মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ বাজারে অগ্নিকা-ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী মিজানুর রহমান (এসি মিজান)।

শনিবার দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ ব্যবসায়ীকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

এ সময় ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম, মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা তৌফিক দেওয়ান, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান ইয়ার, যুবলীগ নেতা রমিজ উদ্দিন শিশির, আবদুর রহিম, সেলিম গাজী, ছেংগারচর পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী নূর বেপারী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলম মুরাদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন, আলম শামসুজ্জামান’সহ বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ, দলীয় নেতৃবৃন্দ।

মিজানুর রহমান এসি মিজান অনাকাঙ্খিত এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আপনাদের ক্ষতির তুলনায় যথার্থ সহযোগিতা করতে পারছিনা। তবে ভবিষ্যতের জন্য আমাদের যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে। বেশিরভাগ দোকানে দেখা যায় শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগছে। দক্ষ ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ডিজাইন করে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হবে। যদি সাধারণ ইলেকট্রিক মিস্ত্রি দিয়ে যেনতেন ভাবে লাইন টানা হয়, তাহলে আগুনের ঘটনা বারবার মোকাবিলা করতে হবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) আনুমানিক ভোর ৪ টায় ভয়াবহ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। এতে ৫ টি দোকান ভস্মিভূত হয়। অগ্নিকা-ের খবর পেয়ে মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকা-ের সূত্রপাত বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। অগ্নিকা-ে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হলো নুরুল ইসলাম গাজীর মুদি দোকান, সাইদুল ইসলামের জাল ও সুতার দোকান, নবী গাজীর বেকারীর দোকান, ছিডু বকাউলের লাকড়ীর দোকান, শুকুর সওদাগরের ক্রোকারিজের দোকান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

শাহরাস্তিতে আওয়ামীলীগের ফেসবুক পেইজের অ্যাডমিন আটক

মতলব উত্তরে অগ্নিকাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের এসি মিজানের আর্থিক সহায়তা প্রদান

Update Time : ১১:০৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩

মনিরুল ইসলাম মনির:
মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ বাজারে অগ্নিকা-ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী মিজানুর রহমান (এসি মিজান)।

শনিবার দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ ব্যবসায়ীকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

এ সময় ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম, মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা তৌফিক দেওয়ান, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান ইয়ার, যুবলীগ নেতা রমিজ উদ্দিন শিশির, আবদুর রহিম, সেলিম গাজী, ছেংগারচর পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী নূর বেপারী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলম মুরাদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন, আলম শামসুজ্জামান’সহ বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ, দলীয় নেতৃবৃন্দ।

মিজানুর রহমান এসি মিজান অনাকাঙ্খিত এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আপনাদের ক্ষতির তুলনায় যথার্থ সহযোগিতা করতে পারছিনা। তবে ভবিষ্যতের জন্য আমাদের যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে। বেশিরভাগ দোকানে দেখা যায় শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগছে। দক্ষ ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ডিজাইন করে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হবে। যদি সাধারণ ইলেকট্রিক মিস্ত্রি দিয়ে যেনতেন ভাবে লাইন টানা হয়, তাহলে আগুনের ঘটনা বারবার মোকাবিলা করতে হবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) আনুমানিক ভোর ৪ টায় ভয়াবহ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। এতে ৫ টি দোকান ভস্মিভূত হয়। অগ্নিকা-ের খবর পেয়ে মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকা-ের সূত্রপাত বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। অগ্নিকা-ে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হলো নুরুল ইসলাম গাজীর মুদি দোকান, সাইদুল ইসলামের জাল ও সুতার দোকান, নবী গাজীর বেকারীর দোকান, ছিডু বকাউলের লাকড়ীর দোকান, শুকুর সওদাগরের ক্রোকারিজের দোকান।