ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যস্ততম শহরে কৃষির সবুজায়নে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো হাজীগঞ্জের সন্তান পাইলট

ছবি-ত্রিনদী

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলাধীন ৬ নং বড়কুল সোনাইমুড়ী গ্রামের মোল্লা বাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা হানিফ মোল্লা মেজু’র ছেলে মোতালেব হোসেন পাইলট আজ গর্বের এক নাম। পারিবারিক ঐতিহ্য আর মুক্তিযোদ্ধা বাবার সাহসিকতাকে ধারণ করে তিনি নিজের জীবনে গড়ে তুলেছেন অনন্য এক দৃষ্টান্ত।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর বর্তমানে কর্মরত আছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে একজন সফল প্রকৌশলী হিসেবে। কিন্তু পেশাগত ব্যস্ততার ভিড়েও থেমে থাকেননি তিনি। সময়ের ফাঁকে, বিশেষ করে ছুটির দিনে, ডুব দিয়েছেন সবুজের সান্নিধ্যে।

ঢাকার মতো জনবহুল শহরে তিনি গড়ে তুলেছেন এক অসাধারণ নগরবাগান। এখানে রয়েছে,২০টিরও বেশি প্রজাতির ফল, শাকসবজি,দেশি-বিদেশি বিলুপ্তপ্রায় ওষুধি গাছ,নানান প্রজাতির ফুলের সমাহার।

মোতালেব হোসেনের এই উদ্যোগ কেবল ব্যক্তিগত শখ নয়, বরং নগর কৃষিকে ঘিরে এক অনন্য অনুপ্রেরণা। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তি আর প্রকৃতির মাঝে ভারসাম্য থাকলেই জীবন হয় সম্পূর্ণ।

তাঁর স্লোগান—“করবো চাষাবাদ, এটাই ভবিষ্যৎ।”
এই মন্ত্রে তিনি স্বপ্ন দেখেন সারা দেশে কৃষিবিপ্লবের।

নগর কৃষির এই চর্চা প্রমাণ করেছে—ইচ্ছা থাকলে শহরের অল্প জায়গাতেও কৃষি সম্ভব।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান

ব্যস্ততম শহরে কৃষির সবুজায়নে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো হাজীগঞ্জের সন্তান পাইলট

আপডেট : ১২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলাধীন ৬ নং বড়কুল সোনাইমুড়ী গ্রামের মোল্লা বাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা হানিফ মোল্লা মেজু’র ছেলে মোতালেব হোসেন পাইলট আজ গর্বের এক নাম। পারিবারিক ঐতিহ্য আর মুক্তিযোদ্ধা বাবার সাহসিকতাকে ধারণ করে তিনি নিজের জীবনে গড়ে তুলেছেন অনন্য এক দৃষ্টান্ত।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর বর্তমানে কর্মরত আছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে একজন সফল প্রকৌশলী হিসেবে। কিন্তু পেশাগত ব্যস্ততার ভিড়েও থেমে থাকেননি তিনি। সময়ের ফাঁকে, বিশেষ করে ছুটির দিনে, ডুব দিয়েছেন সবুজের সান্নিধ্যে।

ঢাকার মতো জনবহুল শহরে তিনি গড়ে তুলেছেন এক অসাধারণ নগরবাগান। এখানে রয়েছে,২০টিরও বেশি প্রজাতির ফল, শাকসবজি,দেশি-বিদেশি বিলুপ্তপ্রায় ওষুধি গাছ,নানান প্রজাতির ফুলের সমাহার।

মোতালেব হোসেনের এই উদ্যোগ কেবল ব্যক্তিগত শখ নয়, বরং নগর কৃষিকে ঘিরে এক অনন্য অনুপ্রেরণা। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তি আর প্রকৃতির মাঝে ভারসাম্য থাকলেই জীবন হয় সম্পূর্ণ।

তাঁর স্লোগান—“করবো চাষাবাদ, এটাই ভবিষ্যৎ।”
এই মন্ত্রে তিনি স্বপ্ন দেখেন সারা দেশে কৃষিবিপ্লবের।

নগর কৃষির এই চর্চা প্রমাণ করেছে—ইচ্ছা থাকলে শহরের অল্প জায়গাতেও কৃষি সম্ভব।