ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে দীপু মনিকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হলো তিন মামলায়

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪ Time View

ছবি-ত্রিনদী

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের করা তিনটি মামলায় চাঁদপুর আদালতে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে পতিত আওয়ামী সরকারের সাবেক মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনিকে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নান এর আদালতে ভার্চুয়ালি হাজির দেখানো হয় তিন মামলার আসামী সাবেক এই মন্ত্রীকে।

আদালত থেকে জানাগেছে, ২০২৪ সালের জিআর ৫৭৯ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিন্টু দত্ত, জিআর ৫৭১ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাদির শাহ্ ও জিআর ৫৮৫ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরে আলম আসামীকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাদির শাহ্ বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি (বর্তমান এমপি) শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এর বাসায় ২০২৪ সালে ১৮ জুলাই ও ৪ আগস্ট দুইবার ভাংচুর, আগুন ও লুটপাট করা হয়। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১নং আসামী দীপু মনি। তার নির্দেশে অন্যান্য আসামীরা এই ঘটনা ঘটায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্টু দত্ত বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১নম্বর আসামী দীপু মনির ইন্ধনে অন্যান্য আসামীরা ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

আরেক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুলে আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ১নম্বর আসামী দীপু মনির নির্দেশে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সড়ক ভবনের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় অন্যান্য আসামীরা।  ওই মামলা দীপু মনিকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

তিনটি মামলায় আসামী দীপু মনির পক্ষে আদালতে কোন আইনজীবী ছিলেন না। দীপু মনি নিজেই তার মামলার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেন।

আদালত থেকে জানানো হয়, তিনটি ঘটনায় চাঁদপুরে সংঘটিত হয়। দীপু মনিকে এজহারে নির্দেশ ও ইন্ধনদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। আসামী বলেছেন তিনি জড়িত ছিলেন না। তদন্তের স্বার্থে তিনটি মামলায় আসামীর শোন অ্যারেস্ট মঞ্জুর করে বিচারক। আসামী বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন জিপি অ্যাডভোকেট এ জেড এম রফিকুল হাসান রিপন, স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা মুক্তা, সিনিয়র আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউরিটির অ্যাড. হারুনুর রশিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, সম্পাদক জাকির হোসেন ফয়সাল সহ বিএনপি পন্থি আইনজীবীরা।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মেঘনায় জাটকা ধরার অপরাধে ১৭ জেলের জরিমানা

চাঁদপুরে দীপু মনিকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হলো তিন মামলায়

Update Time : ১২:০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের করা তিনটি মামলায় চাঁদপুর আদালতে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে পতিত আওয়ামী সরকারের সাবেক মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনিকে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নান এর আদালতে ভার্চুয়ালি হাজির দেখানো হয় তিন মামলার আসামী সাবেক এই মন্ত্রীকে।

আদালত থেকে জানাগেছে, ২০২৪ সালের জিআর ৫৭৯ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিন্টু দত্ত, জিআর ৫৭১ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাদির শাহ্ ও জিআর ৫৮৫ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরে আলম আসামীকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাদির শাহ্ বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি (বর্তমান এমপি) শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এর বাসায় ২০২৪ সালে ১৮ জুলাই ও ৪ আগস্ট দুইবার ভাংচুর, আগুন ও লুটপাট করা হয়। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১নং আসামী দীপু মনি। তার নির্দেশে অন্যান্য আসামীরা এই ঘটনা ঘটায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্টু দত্ত বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১নম্বর আসামী দীপু মনির ইন্ধনে অন্যান্য আসামীরা ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

আরেক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুলে আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ১নম্বর আসামী দীপু মনির নির্দেশে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সড়ক ভবনের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় অন্যান্য আসামীরা।  ওই মামলা দীপু মনিকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

তিনটি মামলায় আসামী দীপু মনির পক্ষে আদালতে কোন আইনজীবী ছিলেন না। দীপু মনি নিজেই তার মামলার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেন।

আদালত থেকে জানানো হয়, তিনটি ঘটনায় চাঁদপুরে সংঘটিত হয়। দীপু মনিকে এজহারে নির্দেশ ও ইন্ধনদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। আসামী বলেছেন তিনি জড়িত ছিলেন না। তদন্তের স্বার্থে তিনটি মামলায় আসামীর শোন অ্যারেস্ট মঞ্জুর করে বিচারক। আসামী বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন জিপি অ্যাডভোকেট এ জেড এম রফিকুল হাসান রিপন, স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা মুক্তা, সিনিয়র আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউরিটির অ্যাড. হারুনুর রশিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, সম্পাদক জাকির হোসেন ফয়সাল সহ বিএনপি পন্থি আইনজীবীরা।