ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরম বেকায়দায় ডোনাল্ড ট্রাম্প

ছবি-ত্রিনদী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি অবরোধের পরিকল্পনায় যোগ দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে ন্যাটো মিত্ররা। ইরানের সঙ্গে ছয় সপ্তাহের চলমান সংঘাত নিরসনে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প এই কঠোর অবরোধের ঘোষণা দেন।

তিনি চেয়েছিলেন মিত্র দেশগুলোও এই সামুদ্রিক অবরোধে তার সঙ্গে যোগ দিক। কিন্তু ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে তারা এই প্রক্রিয়ায় জড়াবে না।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ব্রিটেনের ওপর যথেষ্ট চাপ থাকলেও তারা এই মুহূর্তে এই যুদ্ধের অংশ হতে চান না। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা এই নৌ-অবরোধ সমর্থন করছেন না। ব্রিটেনের পাশাপাশি জার্মানি, স্পেন, ইতালি, পোল্যান্ড এবং গ্রিসও এই অভিযানে নৌবাহিনী পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

মিত্র দেশগুলোর এমন অবস্থানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেশ ক্ষুব্ধ হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ন্যাটো জোটের ভেতরে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করবে।

তবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক ভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি জানান, ফ্রান্স ব্রিটেন ও অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে মিলে একটি বহুজাতিক মিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে, যার উদ্দেশ্য হবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা। ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট করেছেন যে এটি কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান হবে না, বরং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা কেবল আত্মরক্ষামূলক ও শান্তি রক্ষার কাজে অংশ নেবে। এই সিদ্ধান্তটি ট্রাম্পের সরাসরি সংঘাতের নীতির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জে কাল থেকে বন্ধ হচ্ছে ৪৫টি বাজারে খাজনা আদায়

চরম বেকায়দায় ডোনাল্ড ট্রাম্প

Update Time : ১০:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি অবরোধের পরিকল্পনায় যোগ দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে ন্যাটো মিত্ররা। ইরানের সঙ্গে ছয় সপ্তাহের চলমান সংঘাত নিরসনে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প এই কঠোর অবরোধের ঘোষণা দেন।

তিনি চেয়েছিলেন মিত্র দেশগুলোও এই সামুদ্রিক অবরোধে তার সঙ্গে যোগ দিক। কিন্তু ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে তারা এই প্রক্রিয়ায় জড়াবে না।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ব্রিটেনের ওপর যথেষ্ট চাপ থাকলেও তারা এই মুহূর্তে এই যুদ্ধের অংশ হতে চান না। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা এই নৌ-অবরোধ সমর্থন করছেন না। ব্রিটেনের পাশাপাশি জার্মানি, স্পেন, ইতালি, পোল্যান্ড এবং গ্রিসও এই অভিযানে নৌবাহিনী পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

মিত্র দেশগুলোর এমন অবস্থানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেশ ক্ষুব্ধ হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ন্যাটো জোটের ভেতরে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করবে।

তবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক ভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি জানান, ফ্রান্স ব্রিটেন ও অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে মিলে একটি বহুজাতিক মিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে, যার উদ্দেশ্য হবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা। ম্যাক্রোঁ স্পষ্ট করেছেন যে এটি কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান হবে না, বরং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা কেবল আত্মরক্ষামূলক ও শান্তি রক্ষার কাজে অংশ নেবে। এই সিদ্ধান্তটি ট্রাম্পের সরাসরি সংঘাতের নীতির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।