ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুধ দিয়ে গোসলের পরের দিনই দলে ফিরলেন মতলবের সেই যুবদল নেতা

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. হোসেন মিয়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ১২টার দিকে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি এ ঘোষণা দেন। ভিডিওতে তাকে দুধ দিয়ে গোসল করতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনার সৃষ্টি হয়।

ভিডিওর সঙ্গে হোসেন মিয়া লেখেন, ‘আমি ধ্বংস হইনি, আমাকে ধ্বংস করা হয়েছে টাকা আর ষড়যন্ত্রের সিস্টেমের কাছে। আমার কাছের মানুষগুলো আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। আমার রাজনৈতিক লড়াই ছিল বিএনপি, যুবদল এবং চাঁদপুর-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী জালাল সাহেবের জন্য।’

হোসেন মিয়ার অভিযোগ, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দোসরদের যোগসাজশে তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তিনি সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ভিডিও বার্তার শেষে হোসেন মিয়া বলেন, ‘আমি হাসির পাত্র হয়েছি, তবে সত্যই বলেছি। যে বুঝবে, সে একদিন বুঝবেই।’

এ বিষয়ে কলাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. মহসিন ও সাধারণ সম্পাদক রফিক তাতী যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়– গ্রাম্য সালিশে হোসেন মিয়ার প্রতি অপমানজনক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মীদের উদ্দেশ্যমূলক অপমান অগ্রহণযোগ্য এবং পরিকল্পিত। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।

 

উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ জামান টিপু জানান, ব্যক্তিগত হতাশা বা চাপের কারণে এমন সিদ্ধান্ত দুঃখজনক। সংগঠনে কোনো অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি হোসেন মিয়াকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

বাবুরহাট বাজার মোবাইল ব্যবসায়ী সমিতি’র সভাপতি আলাউদ্দিন সাধারণ সম্পাদক মাসুম বকাউল

দুধ দিয়ে গোসলের পরের দিনই দলে ফিরলেন মতলবের সেই যুবদল নেতা

আপডেট : ১১:৪০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. হোসেন মিয়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ১২টার দিকে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি এ ঘোষণা দেন। ভিডিওতে তাকে দুধ দিয়ে গোসল করতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনার সৃষ্টি হয়।

ভিডিওর সঙ্গে হোসেন মিয়া লেখেন, ‘আমি ধ্বংস হইনি, আমাকে ধ্বংস করা হয়েছে টাকা আর ষড়যন্ত্রের সিস্টেমের কাছে। আমার কাছের মানুষগুলো আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। আমার রাজনৈতিক লড়াই ছিল বিএনপি, যুবদল এবং চাঁদপুর-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী জালাল সাহেবের জন্য।’

হোসেন মিয়ার অভিযোগ, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দোসরদের যোগসাজশে তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তিনি সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ভিডিও বার্তার শেষে হোসেন মিয়া বলেন, ‘আমি হাসির পাত্র হয়েছি, তবে সত্যই বলেছি। যে বুঝবে, সে একদিন বুঝবেই।’

এ বিষয়ে কলাকান্দা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. মহসিন ও সাধারণ সম্পাদক রফিক তাতী যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়– গ্রাম্য সালিশে হোসেন মিয়ার প্রতি অপমানজনক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মীদের উদ্দেশ্যমূলক অপমান অগ্রহণযোগ্য এবং পরিকল্পিত। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।

 

উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ জামান টিপু জানান, ব্যক্তিগত হতাশা বা চাপের কারণে এমন সিদ্ধান্ত দুঃখজনক। সংগঠনে কোনো অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি হোসেন মিয়াকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।