মতলব সদর বাজারের কাঠ বাজার এলাকায় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় গোডাউন ও বাসা ভস্মিভূত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীসহ ৫জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন- শিক্ষার্থী সঙ্গীতা (১৫), অন্তরা (১৫), রনি হাসান (১৩), ব্যবসায়ী লক্ষন (৩৫) ও শিক্ষক পলাশ (৩২)। এ অগ্নিকান্ডে ২৫ লক্ষাধিক টাকা ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল পৌনে ৯টার দিকে গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। গোডাউনের ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী রতন সাহার গোডাউনে থাকা ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ও দো-তলার বাসার ভাড়াটিয়া শিক্ষক পলাশের টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, এসিসহ প্রায় ১৫লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ভস্মিভূত হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই দিন সকালে দোতলার বাসা থেকে শিক্ষার্থীদের ডাক চিৎকার শুনে পাশের বাড়ী ও দোকানের লোকজন এগিয়ে আসে। স্থানীয় বাসিন্দা ও মতলব বাজারের ব্যবসায়ী মোতালেব মিয়াজী, আপেল, মাহিন, তানভীরসহ বেশ কয়েকজনের সহযোগিতায় বাসার গ্রিল কেটে শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাদেরকে মতলব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশরাফুল আলম লিমন প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। শিক্ষার্থী অন্তরার অবস্থা আশংকাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
স্থানীয় একাধিক উদ্ধরকারীরা জানান, অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দেড় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। দ্বিতীয় তলার ফ্লোর কাঠের হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে পড়তে আসা আগত শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষনিকভাবে জানালার গ্রিল কেটে এলাকাবাসী উদ্ধার না করলে বড় ধরনের হতাহতের সম্ভাবনা ছিলো।
ফায়ার সার্ভিসের ষ্ট্রেশন ইনচার্জ মেহেদী হাসান তুহিন বলেন, নীচতলা গোডাউন থেকে বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, যাবতীয় সেফটি সরঞ্জামসহ কোন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।
সফিকুল ইসলাম রিংকু 



















