শিক্ষাখাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার সবগুলো স্তরে কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে। তা খতিয়ে দেখে দ্রুত সমাধানের আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে। যেভাবে কচুয়া থেকে পরীক্ষা নকলমুক্ত করার যাত্রা শুরু হয়েছিল, ঠিক সেভাবে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার যাত্রাও কচুয়া থেকে শুরু করবো। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এসব কাজ বাস্তবায়ন হবে।
তিনি আরো বলেন,আমি নির্বাচনের আগে কচুয়ার জনগণের সাথে কথা দিয়েছি, ১২ই ফেব্রুয়ারি আমি নির্বাচিত হলে মাদক, ইভটিজিং, চাঁদাবাজ, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসমুক্ত করবো, সেই লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাচ্ছি। এ বিষয়গুলো নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে বলবো কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। সকল অপরাধীদেরকে আইনে আওতায় আনতে হবে। কচুয়ার সকল জনগণ যেনো নিরাপদ থাকতে পারে। কচুয়ায় যাতায়াতে যেন মানুষ কষ্ট না পায়, সাচার, কচুয়া ও রহিমানাগর বাজারে যানজট মুক্ত রাখতে হবে। বাজারের প্রতিটি স্থানে সিসি ক্যামেরা আওতায় আনতে হবে। কচুয়ার মানুষ যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে ।
ড.আনম এহছানুল হক মিলন স্থানীয় প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি দুর্নীতি করি না এবং কাউকে দুর্নীতি করতে দেবো না, এটা আমার ছোটকাল থেকে প্রতিজ্ঞা। এই কাজে যারা শামিল হতে পারবেন তারাই থাকবেন, যারা পারবেন না, দয়া করে নিজ গুনে ট্রান্সফার হয়ে যাবেন। আমি এখানে দুর্নীতিমুক্ত রাখবো, কারণ জনগণ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। আমি কচুয়াবাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ জানাই। তিনি আমাকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দিয়েছেন।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন তাঁর নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে স্থানীয় প্রশাসনের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সফরসঙ্গী হিসেবে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য নাজমুন নাহার বেবি এবং শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক ড.খান মাঈন উদ্দিন মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন।
কচুয়া আগমন উপলক্ষ্যে শিক্ষা এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আনম এহছানুল হক মিলনকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান, জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার রবিউল হাসান, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান রাসেল, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম। তাদের সঙ্গে বিএনপি সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সনাতন ধর্মের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দুপুরের পর শিক্ষামন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এদিকে, ঢাকা থেকে সড়কপথে কচুয়া যাওয়ার পথে অনন্ত ২০টি স্থানে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকাবাসী তাদের নেতা আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
Reporter Name 


















