ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মতলবে ফসলি জমির মাটি বিক্রি করায় ভ্রাম্যমান আদালতে তিনজনের জেল

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি।

মতলব দক্ষিণ উপজেলার ধনাগোদা নদীর তীরবর্তী বাইশপুর, লামচরী এলাকায় ফসলি জমি কেটে মাটি বিক্রি করায় তিনজনকে এক বছরের বিনাশ্রম জেল ও এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড (অনাদায়ে এক মাসের জেল) দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাহিনা পৃথুলা।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০  এর আইন অনুযায়ী, ফসলি  জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করায়, একজনকে এক বছরের বিনাশ্রম জেল ও এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড (অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড) প্রদান করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাহীনা পৃথুলা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল সাতটা থেকে আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম শুরু করি। জমির মাটি কাটা অবস্থায় তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লক্ষ টাকা জরিমান (অনাদায়ে এক মাসের জেল) প্রদান করা হয়। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চাঁদপুরে সক্রিয় হয়ে উঠছে অপরাধী চক্র

মতলবে ফসলি জমির মাটি বিক্রি করায় ভ্রাম্যমান আদালতে তিনজনের জেল

Update Time : ১১:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মতলব দক্ষিণ উপজেলার ধনাগোদা নদীর তীরবর্তী বাইশপুর, লামচরী এলাকায় ফসলি জমি কেটে মাটি বিক্রি করায় তিনজনকে এক বছরের বিনাশ্রম জেল ও এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড (অনাদায়ে এক মাসের জেল) দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাহিনা পৃথুলা।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০  এর আইন অনুযায়ী, ফসলি  জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করায়, একজনকে এক বছরের বিনাশ্রম জেল ও এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড (অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড) প্রদান করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাহীনা পৃথুলা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল সাতটা থেকে আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম শুরু করি। জমির মাটি কাটা অবস্থায় তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লক্ষ টাকা জরিমান (অনাদায়ে এক মাসের জেল) প্রদান করা হয়। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।