চাঁদপুরের কচুয়ায় চোরের হামলায় গুরুতর আহত প্রবাসীর স্ত্রী রেহেনা বেগম (৫৫) দীর্ঘ ১৯ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত রেহেনা বেগম কচুয়া উপজেলার জগতপুর গ্রামের মিয়াজী বাড়ির প্রবাসী বেলায়েত হোসেনের স্ত্রী।
জানা যায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে রেহেনা বেগম ঘরে একা থাকার সুযোগে একই বাড়ির আক্তার মাস্টারের ছেলে আজহারুল ইসলাম সোহান (১৫) এবং আবু খালেদের ছেলে রবিউল ইসলাম (১৪) পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ঘরে প্রবেশ করে। তারা জোরপূর্বক মোবাইল ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে রেহেনা বেগম বাধা প্রদান করেন। এসময় কিশোররা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে উপুর্যুপরি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।
আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসকরা পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। বাড়ি ফেরার কয়েকদিন পর গতকাল সকালে নিজ গৃহেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরদিন ৭ ফেব্রুয়ারি কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং- ৬)। রেহেনা বেগমের মৃত্যুর পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনার পরপরই প্রধান আসামি সোহানকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। বর্তমানে সে গাজীপুর শিশু-কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে রয়েছে। দ্বিতীয় আসামি রবিউল ইসলাম বর্তমানে আদালত থেকে প্রাপ্ত জামিনে রয়েছে।
এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ওসি (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগীর মৃত্যুর প্রেক্ষিতে চলমান মামলাটি এখন আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হবে।
কচুয়া প্রতিনিধি: 






















