কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নে কাদলা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবাসী স্ত্রীর উপর হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে ওই গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার কবিরাজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, কাদলা গ্রামের মৃত গফুর মিয়ার মেজো ছেলে প্রবাসী বাবুল হোসেন ও তার ছোট ভাই জাকির হোসেনের সাথে জমিজমা ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের জের ধরে শাশুড়ি ও বউয়ের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
প্রবাসী স্ত্রী কুলসুমা বেগম জানান, আমার স্বামী প্রবাসে থাকার কারণে দেবর জাকির হোসন, তার স্ত্রী জুলেখা বেগম,শাশুড়ি রাশেদা বেগম ও ভাসুর সোলাইমান একাধিক বার আমার ওপর হামলা ও নির্যাতন করেছেন। স্বামী দেশে না থাকায় আমাকে বাড়িতে থাকতে দেয়নি তারা। আজ সকালে আমি বাড়িতে আসলে হঠাৎ আমার শাশুড়ি আমাকে উশৃংখল ভাষায় গালিগালাজ করেন। আমি প্রতিবাদ করলে দেবর জাকির হোসেন, তার স্ত্রী জুলেখা বেগম ও শাশুড়ি রাশেদা বেগম আমার উপর অতর্কিত হামলা করেন। আমাকে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে নীলা-পোলা জখম করে আমার শরীরে থাকা কাপড়-চোপড় টানাহেঁচড়া করে ছিরে ফেলে শ্লীলতাহানি করেন । আমার ডাক চিৎকার শোনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তখন তারা আমাকে ছেড়ে দেয়।
তিমি আরো জানান,স্ট্যাম্পের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। আমি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের কাছে ন্যায় বিচার দাবি করছি।
বিবাদী জাকির হোসেন জানান, ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না, আমার স্ত্রী আমাকে ফোন দিয়ে বলে বাড়িতে ঝগড়া হচ্ছে তখন আমি বাড়িতে চলে আসি। আমি এসে দেখি আমার মায়ের সাথে ও বড় ভাইয়ের বউ কুলসুম বেগমের সাথে সাথে মুখে মুখে তর্ক হচ্ছে কোন মারামারি হয়নি এবং আমি তার ওপরে কোন হামলা করিনি।
কচুয়া প্রতিনিধি ॥ 

























