ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বুধবার প্রকাশিত হবে বহুল প্রতিক্ষিত প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২
  • ৭৭ Time View

ফাইল ছবি-ত্রিনদী।

 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে আরও ৫ হাজার পদ বেড়েছে। ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর ৩২ হাজার ৫৭৭ পদে নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। এর সঙ্গে নতুন পদ যোগ করে এখন সাড়ে ৩৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। ১৪ ডিসেম্বর (বুধবার) এই নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ৫ হাজার পদ বাড়ানোর প্রথম কারণ হচ্ছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা অবধি সবসময়ই প্রার্থীদের একটি অংশ অপেক্ষাকৃত ভালো পদে চাকরি পেয়ে চলে যায়। তাই তারা নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হলেও যোগদান করেন না। তাই সাড়ে ৩২ হাজার প্রার্থীর সবাইকে নাও পেতে পারি। ফলে বিদ্যালয়ে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে সেটা প্রত্যাশা অনুযায়ী পূরণ নাও হতে পারে। আর তেমনটি হলে আরেকটি নিয়োগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ভুগবে। এই বিষয়টি রেখেই পদ সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় ২৬ মাস আগে এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও করোনা পরিস্থিতি প্রক্রিয়া শেষ করতে দেরি হয়। অন্যদিকে প্রতিবছর গড়ে ৭-৮ হাজার শিক্ষক অবসরে যান। সেই হিসাবে শূন্যপদের সংখ্যা আরও অনেক বেড়ে গেছে। এই অবস্থায় বিদ্যালয়গুলোতে সৃষ্ট শিক্ষক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আরও কিছু পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। সেই অনুযায়ী চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত শূন্য হওয়া পদ যুক্ত করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

হাজীগঞ্জে সাংবাদিক হাবীবের বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া-মাহফিল

বুধবার প্রকাশিত হবে বহুল প্রতিক্ষিত প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল

Update Time : ০৯:৫০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে আরও ৫ হাজার পদ বেড়েছে। ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর ৩২ হাজার ৫৭৭ পদে নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। এর সঙ্গে নতুন পদ যোগ করে এখন সাড়ে ৩৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। ১৪ ডিসেম্বর (বুধবার) এই নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ৫ হাজার পদ বাড়ানোর প্রথম কারণ হচ্ছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা অবধি সবসময়ই প্রার্থীদের একটি অংশ অপেক্ষাকৃত ভালো পদে চাকরি পেয়ে চলে যায়। তাই তারা নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হলেও যোগদান করেন না। তাই সাড়ে ৩২ হাজার প্রার্থীর সবাইকে নাও পেতে পারি। ফলে বিদ্যালয়ে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে সেটা প্রত্যাশা অনুযায়ী পূরণ নাও হতে পারে। আর তেমনটি হলে আরেকটি নিয়োগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ভুগবে। এই বিষয়টি রেখেই পদ সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় ২৬ মাস আগে এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও করোনা পরিস্থিতি প্রক্রিয়া শেষ করতে দেরি হয়। অন্যদিকে প্রতিবছর গড়ে ৭-৮ হাজার শিক্ষক অবসরে যান। সেই হিসাবে শূন্যপদের সংখ্যা আরও অনেক বেড়ে গেছে। এই অবস্থায় বিদ্যালয়গুলোতে সৃষ্ট শিক্ষক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আরও কিছু পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। সেই অনুযায়ী চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত শূন্য হওয়া পদ যুক্ত করা হয়েছে।