ঢাকা 1:43 am, Wednesday, 2 July 2025

পিআর পদ্ধতির উপযোগিতা ভেবে দেখার অনুরোধ তারেক রহমানের

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:32:21 pm, Tuesday, 1 July 2025
  • 1 Time View

বাংলাদেশের বিদ্যমান অবস্থায় ও ভৌগোলিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থা (পিআর পদ্ধতি) কতটা উপযোগী কিংবা উপযোগী কিনা তা ভেবে দেখার অনুরোধ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) ‘গণ-অভ‍্যুত্থান ২০২৪ : জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও শহীদ পরিবারের সম্মানে বিশেষ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এ মত দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থা ঐক্যের পরিবর্তে বিভক্তিমূলক সমাজ এবং অস্থিতিশীল সরকার সৃষ্টির কারণ হয়ে ওঠতে পারে কি-না তা সব রাজনৈতিক নেতাকে ভেবে দেখার অনুরোধ করব।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে বিভিন্ন দল চিন্তা করেই সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে এবং প্রতিটি দলই যার যার বিবেচনায় উত্তম প্রস্তাব দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তবে সব প্রস্তাব বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বা বর্তমান প্রেক্ষাপটে উপযোগী কি-না তা বিবেচনার অনুরোধ করেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা শক্ত ভিত্তির ওপর রাখতে হলে জনগণের ঐক্য সবচেয়ে বেশি দরকার। সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থার আড়ালে আবার দেশের রাজনীতিতে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনের পথ সুগম করে দেয়া হচ্ছে কি-না, তা সবার গুরুত্ব দিয়ে ভাবা দরকার। নিত্য নতুন ইস্যু সামনে আনলে ষড়যন্ত্রকারীরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পাবে।’

প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, কমিউনিস্ট পার্টিসহ অনেক রাজনৈতিক দল সংখ্যানুপাতিক বা আনুপাতিক পদ্ধতিতে ভোটের পক্ষে দাবি তুলেছে।

তবে বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এই পদ্ধতির বিরোধিতা করে প্রচলিত সংসদীয় পদ্ধতিতে নির্বাচনের পক্ষেই অবস্থান করছে।

পিআর পদ্ধতি কি?

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনি ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কোন দল মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা ১০ শতাংশ পায়, তাহলে সেই দল আনুপাতিক হারে সংসদের ১০ শতাংশ বা ৩০টি আসন পাবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

পিআর পদ্ধতির উপযোগিতা ভেবে দেখার অনুরোধ তারেক রহমানের

পিআর পদ্ধতির উপযোগিতা ভেবে দেখার অনুরোধ তারেক রহমানের

Update Time : 11:32:21 pm, Tuesday, 1 July 2025

বাংলাদেশের বিদ্যমান অবস্থায় ও ভৌগোলিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থা (পিআর পদ্ধতি) কতটা উপযোগী কিংবা উপযোগী কিনা তা ভেবে দেখার অনুরোধ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) ‘গণ-অভ‍্যুত্থান ২০২৪ : জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও শহীদ পরিবারের সম্মানে বিশেষ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এ মত দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থা ঐক্যের পরিবর্তে বিভক্তিমূলক সমাজ এবং অস্থিতিশীল সরকার সৃষ্টির কারণ হয়ে ওঠতে পারে কি-না তা সব রাজনৈতিক নেতাকে ভেবে দেখার অনুরোধ করব।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে বিভিন্ন দল চিন্তা করেই সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে এবং প্রতিটি দলই যার যার বিবেচনায় উত্তম প্রস্তাব দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তবে সব প্রস্তাব বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বা বর্তমান প্রেক্ষাপটে উপযোগী কি-না তা বিবেচনার অনুরোধ করেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা শক্ত ভিত্তির ওপর রাখতে হলে জনগণের ঐক্য সবচেয়ে বেশি দরকার। সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থার আড়ালে আবার দেশের রাজনীতিতে ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনের পথ সুগম করে দেয়া হচ্ছে কি-না, তা সবার গুরুত্ব দিয়ে ভাবা দরকার। নিত্য নতুন ইস্যু সামনে আনলে ষড়যন্ত্রকারীরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পাবে।’

প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, কমিউনিস্ট পার্টিসহ অনেক রাজনৈতিক দল সংখ্যানুপাতিক বা আনুপাতিক পদ্ধতিতে ভোটের পক্ষে দাবি তুলেছে।

তবে বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এই পদ্ধতির বিরোধিতা করে প্রচলিত সংসদীয় পদ্ধতিতে নির্বাচনের পক্ষেই অবস্থান করছে।

পিআর পদ্ধতি কি?

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনি ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কোন দল মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা ১০ শতাংশ পায়, তাহলে সেই দল আনুপাতিক হারে সংসদের ১০ শতাংশ বা ৩০টি আসন পাবেন।