চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের ঝাঁকনি গ্রামে প্রকাশ্যে দিনের আলোতে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পঞ্চাষোর্ধ এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে মসজিদের সামনে ওই শিক্ষার্থীকে লক্ষ্য করে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে তিনি শিক্ষার্থীকে জোর করে পাশের ঝোপের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে সহপাঠীরা অভিযোগ করেছে।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। বিষয়টি একাধিকবার স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন তিনি। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার দিন অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পোশাক ছিঁড়ে ফেলেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। পরে আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিন দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি বাড়ি ফেরেন।
অভিযুক্তের পরিবার অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আলমগীর হোসেনের মা দাবি করেন, তাঁর ছেলে ছোটবেলা থেকেই ওই শিক্ষার্থীকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করতেন এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন সময় অর্থ ব্যয় করেছেন। সম্প্রতি মেয়েটির বয়স হওয়ায় বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তবে ভুক্তভোগীর পরিবার এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তাদের মেয়েকে বিরক্ত করে আসছেন।
স্থানীয়ভাবে বিচার চেয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। অনেকেই তাঁকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে এড়িয়ে গেছেন।
হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ বিরাজ করছে।
Reporter Name 





















