ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্মেনিয়ার চার গ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজারবাইজান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪
  • ১০০ Time View

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ চলে আসছিল। অবশেষে সীমান্ত চুক্তির অধীনে আর্মেনিয়ার চার গ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজারবাইজান। এ ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

আজারবাইজানের উপপ্রধানমন্ত্রী শাহিন মুস্তাফায়েভ জানিয়েছেন, শুক্রবার (২৪ মে) সীমান্তবর্তী গাজাখ জেলার এ গ্রামগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজারবাইজানের সীমান্ত পরিষেবা। সীমান্ত চুক্তির অধীনে আজারবাইজানকে ফেরত দেওয়া এই অঞ্চলের আয়তন ছিল ৬.৫ বর্গ কিলোমিটার (২.৫ বর্গমাইল)। এই চুক্তিটি দেশ দুটির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি মাইলফলক ছিল।

এপ্রিলে জনবসতিহীন গ্রামগুলোকে আজারবাইজানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল আর্মেনিয়া। এদিকে চারটি গ্রাম হস্তান্তর করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আর্মেনিয়ায় বিক্ষোভে নেমেছেন প্রতিবাদকারীরা। বিশ্বাসঘাতকতার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে পাশিনিয়ান একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় আর্মেনিয়রা যে স্বদেশের স্বপ্ন দেখেছেন সে কথা তুলে ধরেন। এ সময় কীভাবে জাতীয় সীমানা নির্ধারণ করা সেই প্রক্রিয়ারই একটি অংশ ছিল তা বর্ণনা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

শাহরাস্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন, অনুপস্থিত ৭১ জন

আর্মেনিয়ার চার গ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজারবাইজান

Update Time : ০৬:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ চলে আসছিল। অবশেষে সীমান্ত চুক্তির অধীনে আর্মেনিয়ার চার গ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজারবাইজান। এ ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

আজারবাইজানের উপপ্রধানমন্ত্রী শাহিন মুস্তাফায়েভ জানিয়েছেন, শুক্রবার (২৪ মে) সীমান্তবর্তী গাজাখ জেলার এ গ্রামগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজারবাইজানের সীমান্ত পরিষেবা। সীমান্ত চুক্তির অধীনে আজারবাইজানকে ফেরত দেওয়া এই অঞ্চলের আয়তন ছিল ৬.৫ বর্গ কিলোমিটার (২.৫ বর্গমাইল)। এই চুক্তিটি দেশ দুটির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি মাইলফলক ছিল।

এপ্রিলে জনবসতিহীন গ্রামগুলোকে আজারবাইজানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল আর্মেনিয়া। এদিকে চারটি গ্রাম হস্তান্তর করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আর্মেনিয়ায় বিক্ষোভে নেমেছেন প্রতিবাদকারীরা। বিশ্বাসঘাতকতার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে পাশিনিয়ান একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় আর্মেনিয়রা যে স্বদেশের স্বপ্ন দেখেছেন সে কথা তুলে ধরেন। এ সময় কীভাবে জাতীয় সীমানা নির্ধারণ করা সেই প্রক্রিয়ারই একটি অংশ ছিল তা বর্ণনা করেন।