কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের বড় ভবানীপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হাছিনা বেগম (৪৬) নামের এক বিধবা নারীকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। হয়রানির শিকার নারী ওই গ্রামের মোল্লা বাড়ির মৃত জয়নাল আবেদীন এর স্ত্রী। হয়রানি ও ভাঙচুর অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী বিধবা হাছিনা বেগম বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্র জানা গেছে, বাদীর ননসের জামাই একই ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন, ননস মোছা: তাসলিমা বেগম (৫৫) এর সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই জমিজমা নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে একাধিক মামলা চালমান রয়েছে। বিবাদীরা ওয়ারিশের ভূমি পাবে বলে দাবি করে বাদীর দখলীয় ভূমি জোর পূর্বক ভাবে জবর দখল করার পায়তারাসহ হয়রানি ভয়ভীতি হুমকি হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় ০৩ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে বিবাদীরা জোর পূর্বক ভাবে দখল করার উদ্দেশ্যে বাদীর ভূমিতে থাকা সিমেন্টের পালা প্লাষ্টিকের বেড়া উপরে ফেলে ভূমি দখল করার চেষ্টা করে। এতে বাধা প্রদান করলে বিবাদী আলমগীর হোসেন, তাসলিমা বেগম ও একই গ্রামের মিন্টু মিয়াসহ অজ্ঞাত ৪থেকে ৫জন বাদী হাছিনাকে মারধর করার জন্য দা, লাঠিসোঠা বটি নিয়ে দৌড়ে আসে। বাদীর ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীরা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ পুনরায় বাধা প্রদান করলে বাদীকে খুন জখম করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করে।
বাদী অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, বাদীর নামে মিথ্যা অপবাদসহ বাদীকে খুনি হাসিনা বলে এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে ফাঁসি চায় দাবি করে মানহানি করেছে।
বাদী হাসিনা বেগম জানান, বিবাদী সৎ ননস ও তার জামাই দীর্ঘদিন ধরে আমাকে হয়রানি করে আসছে। আমার স্বামী না থাকায় দুইটা মেয়ে ও একটি ছোট ছেলেকে নিয়ে অসহায় দিন কাটাচ্ছি। তারা পূর্বে তাদের ওয়ারিশের জায়গা বিক্রি করে ফেলে অযথা মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। আমার স্বামীর প্রথম সংসারের সৎ ছেলে মোশারফ হোসেনকে দিয়ে আমার মেয়েদের উপর একাধিকবার হামলা করেছেন। আমি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ন্যায়বিচার দাবি করছি।
বিবাদী আলমগীর হোসেন তার বক্তব্য জানতে মোবাইলে ফোন দিলে এই বিধবা নাছিমা বেগম বিষয়ে বক্তব্য দিতে প্রথমে অনীহা প্রকাশ করেন। পরে এ পর্যাযে তিনি বাদী হাছিনার বেড়াটি তার স্ত্রীর ওয়ারিশের জায়গা দাবি করে বেড়া উঠিয়ে ফেলেছি বলে স্বীকার করেন।
কচুয়া প্রতিনিধি ॥ 




















