ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলবে আগাম খিরা চাষে লাভবান চাষিরা!

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১০:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩
  • 148

মতলবে আগাম খিরা চাষে লাভবান কৃষকরা।

কম খরচে বেশি উৎপাদন ও বাজারে ভালো দামে বিক্রি করে লাভবান হওয়া যায় বলে কৃষকরা এর চাষে ঝুঁকছেন। মতলব উত্তর উপজেলা’সহ জেলায় ব্যাপক পরিমানে খিরা চাষ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ভালো থাকায় ও গাছের কোনো রোগবালাই না হওয়ায় কৃষকরা বেশি ফলন পেয়েছেন।

উপজেলার কলসভাঙ্গা, গজরা, ওটারচর, ছেংগারচর, ইমামপুর, চরকাশিম, জহিরাবাদ, চরওমেদ গ্রাম সহ আরো সকল গ্রামের মাঠে খিরার চাষ করা হয়েছে। এখানকার উৎপাদিত খিরা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন ঢাকা’সহ দেশের বিভিন্ন শহরে চলে যাচ্ছে। খিরা চাষে খরচ কম ও উৎপাদন বেশি হয় বলে এইসব এলাকার কৃষকরা এর বেশি আগ্রহী হয়েছেন।

আবহাওয়া ভালো থাকায় ও গাছের কোনো রোগবালাই না হওয়ায় কৃষকরা বাম্পার ফলন পেয়েছেন। বর্তমান বাজারে কৃষকরা প্রতিমণ খিরা ২০০০-২২০০টাকা দরে বিক্রি করতে পারছেন।

কৃষক কবির হোসেন বলেন, আমি এবছর ১ বিঘা জমিতে খিরার চাষ করেছি। চাষে আমার প্রায় ৩৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। আশা করছি খিরা বিক্রি করে খরচ বাদে ৮০-৯০ হাজার টাকা লাভ করতে পারবো।
কৃষক আজগর আলী বলেন, খিরা চাষে খরচ কম লাভ বেশি হয়। তাই আমি প্রতি বছর খিরার চাষ করি। এখানকার উৎপাদিত খিরা ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন সরবরাহ করা হয়ে থাকে। আমিও ছাড়াও স্থানীয় আরো অনেক চাষিরা প্রতি বিঘা জমি ২০ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে খিরার চাষ করে থাকেন।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প এলাকা বর্ষায় পানি জমে না থাকা ও চরাঞ্চলে পলি মাটির উর্বরতা থাকায় কৃষকরা খিরার চাষ করেন। কম খরচে চাষ করা যায় বলে কৃষকরা এর ব্যাপক পরিমানে চাষ করে থাকেন। চাষ করে সফলতার পাশাপাশি তারা লাভবানও হতে পারেন। আশা করছি আগামীতে এর চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে। এখানকার কৃষকরা বিঘাপ্রতি ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ করতে পারেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে পুকুর ভরাট করে খামারের বর্জ্য ফেলায় ১ লাখ টাকা জরিমানা

মতলবে আগাম খিরা চাষে লাভবান চাষিরা!

আপডেট : ১০:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩

কম খরচে বেশি উৎপাদন ও বাজারে ভালো দামে বিক্রি করে লাভবান হওয়া যায় বলে কৃষকরা এর চাষে ঝুঁকছেন। মতলব উত্তর উপজেলা’সহ জেলায় ব্যাপক পরিমানে খিরা চাষ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ভালো থাকায় ও গাছের কোনো রোগবালাই না হওয়ায় কৃষকরা বেশি ফলন পেয়েছেন।

উপজেলার কলসভাঙ্গা, গজরা, ওটারচর, ছেংগারচর, ইমামপুর, চরকাশিম, জহিরাবাদ, চরওমেদ গ্রাম সহ আরো সকল গ্রামের মাঠে খিরার চাষ করা হয়েছে। এখানকার উৎপাদিত খিরা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন ঢাকা’সহ দেশের বিভিন্ন শহরে চলে যাচ্ছে। খিরা চাষে খরচ কম ও উৎপাদন বেশি হয় বলে এইসব এলাকার কৃষকরা এর বেশি আগ্রহী হয়েছেন।

আবহাওয়া ভালো থাকায় ও গাছের কোনো রোগবালাই না হওয়ায় কৃষকরা বাম্পার ফলন পেয়েছেন। বর্তমান বাজারে কৃষকরা প্রতিমণ খিরা ২০০০-২২০০টাকা দরে বিক্রি করতে পারছেন।

কৃষক কবির হোসেন বলেন, আমি এবছর ১ বিঘা জমিতে খিরার চাষ করেছি। চাষে আমার প্রায় ৩৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। আশা করছি খিরা বিক্রি করে খরচ বাদে ৮০-৯০ হাজার টাকা লাভ করতে পারবো।
কৃষক আজগর আলী বলেন, খিরা চাষে খরচ কম লাভ বেশি হয়। তাই আমি প্রতি বছর খিরার চাষ করি। এখানকার উৎপাদিত খিরা ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন সরবরাহ করা হয়ে থাকে। আমিও ছাড়াও স্থানীয় আরো অনেক চাষিরা প্রতি বিঘা জমি ২০ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে খিরার চাষ করে থাকেন।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প এলাকা বর্ষায় পানি জমে না থাকা ও চরাঞ্চলে পলি মাটির উর্বরতা থাকায় কৃষকরা খিরার চাষ করেন। কম খরচে চাষ করা যায় বলে কৃষকরা এর ব্যাপক পরিমানে চাষ করে থাকেন। চাষ করে সফলতার পাশাপাশি তারা লাভবানও হতে পারেন। আশা করছি আগামীতে এর চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে। এখানকার কৃষকরা বিঘাপ্রতি ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ করতে পারেন।