ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় তেতৈয়া ৫০ বছরের রাস্তা কোন সংস্কার বা উন্নয়ন হয়নি, চলাচলের চরম দুর্ভোগ 

কচুয়ায় তেতৈয়া ৫০ বছরের রাস্তা কোন সংস্কার বা উন্নয়ন হয়নি, চলাচলের চরম দুর্ভোগ

কচুয়া উপজেলার কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের ধলি কচুয়া থেকে তেতৈয়া ও রাজাপুর পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার জনগুরুত্বপূর্ণ একটি কাঁচা রাস্তা ৫০ বছরেও সংস্কার ও পাকাকরনের কাজ হয়নি। বৃষ্টি হলেই পানি কাঁদায় রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। বৃষ্টির সময় বিপাকে পড়তে হয় শিশু শিক্ষার্থী সহ স্কুল মাদ্রাসাগামী অনেক শিক্ষার্থীকে।
বর্তমান রাস্তাটি প্রায় জায়গায় খানা-খন্দে হয়ে রাস্তা যেনো মরন ফাঁদ পরিণতি হয়েছে। নির্বাচন আসলে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা ওই এলাকার স্থানীয় লোকজনদেরকে রাস্তার সংস্কার বা উন্নয়ন করে দিব বলে আশ্বাস প্রদান করে, কিন্তু কেউ বাস্তবায়ন করেননি।
সরেজমিনে জানা গেছে, কোমরকাশা তেতৈয়া-নোগাগাঁও সড়কের ধলি কচুয়া থেকে রাজাপুর ও জলা তেতৈয়া পর্যন্ত পর্যন্ত এ দুটি পাকা রাস্তার সংযোগ হিসেবে তেতৈয়া গ্রামের দক্ষিণপাড়া ২ কিমি. কাঁচা রাস্তাটির অবস্থান। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক সহ স্কুল মাদ্রাসা ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। রাস্তার দুই পাশে শত শত পরিবার বসবাস করছে। এই রাস্তার সংলগ্ন কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে।
রাস্তাটি খানা-খন্দে ভরে গেছে। রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তার দুই পাশে কৃষি ফসলি মাঠের উৎপাদন ফসল বাড়িতে আনতে পারে না। অনেক সময় দেখা যায় কৃষকরা মাথায় বোঝা নিয়ে খানাখন্দে পড়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, তৎকালীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এরশাদ আমলের আগে এই রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছে। এরপর থেকে আজ প্রায় ৫০ বছর উপরে এ রাস্তায় কোন সংস্কার বা উন্নয়ন করা হয়নি। অনেক জনপ্রতিনিধরা নির্বাচন আসলে বিভিন্ন আশ্বাস প্রদান করেন, কিন্তু কেউ বাস্তবায়ন করেননি। বিশেষ এখানকার স্থানীয় কৃষক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এলাকাবাসী রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার বা পাকাকরণ দাবি জানিয়েছে প্রশাসনের কাছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মানিক হোসেন বলেন, এই রাস্তাটির সংস্কারের বিষয়ে কয়েকবার ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা অবগত করা হয়েছে। কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। ইতিমধ্য এই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর দরখাস্ত করেছি। এ রাস্তাটির বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলীম লিটন বলেন, সরকারি বরাদ্ধের প্রেক্ষিতে এসব রাস্তার কাজ পর্যায়ক্রমে হবে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

শাহরাস্তিতে আওয়ামীলীগের ফেসবুক পেইজের অ্যাডমিন আটক

কচুয়ায় তেতৈয়া ৫০ বছরের রাস্তা কোন সংস্কার বা উন্নয়ন হয়নি, চলাচলের চরম দুর্ভোগ 

Update Time : ০৮:০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
কচুয়া উপজেলার কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের ধলি কচুয়া থেকে তেতৈয়া ও রাজাপুর পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার জনগুরুত্বপূর্ণ একটি কাঁচা রাস্তা ৫০ বছরেও সংস্কার ও পাকাকরনের কাজ হয়নি। বৃষ্টি হলেই পানি কাঁদায় রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। বৃষ্টির সময় বিপাকে পড়তে হয় শিশু শিক্ষার্থী সহ স্কুল মাদ্রাসাগামী অনেক শিক্ষার্থীকে।
বর্তমান রাস্তাটি প্রায় জায়গায় খানা-খন্দে হয়ে রাস্তা যেনো মরন ফাঁদ পরিণতি হয়েছে। নির্বাচন আসলে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা ওই এলাকার স্থানীয় লোকজনদেরকে রাস্তার সংস্কার বা উন্নয়ন করে দিব বলে আশ্বাস প্রদান করে, কিন্তু কেউ বাস্তবায়ন করেননি।
সরেজমিনে জানা গেছে, কোমরকাশা তেতৈয়া-নোগাগাঁও সড়কের ধলি কচুয়া থেকে রাজাপুর ও জলা তেতৈয়া পর্যন্ত পর্যন্ত এ দুটি পাকা রাস্তার সংযোগ হিসেবে তেতৈয়া গ্রামের দক্ষিণপাড়া ২ কিমি. কাঁচা রাস্তাটির অবস্থান। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক সহ স্কুল মাদ্রাসা ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। রাস্তার দুই পাশে শত শত পরিবার বসবাস করছে। এই রাস্তার সংলগ্ন কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে।
রাস্তাটি খানা-খন্দে ভরে গেছে। রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তার দুই পাশে কৃষি ফসলি মাঠের উৎপাদন ফসল বাড়িতে আনতে পারে না। অনেক সময় দেখা যায় কৃষকরা মাথায় বোঝা নিয়ে খানাখন্দে পড়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, তৎকালীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এরশাদ আমলের আগে এই রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছে। এরপর থেকে আজ প্রায় ৫০ বছর উপরে এ রাস্তায় কোন সংস্কার বা উন্নয়ন করা হয়নি। অনেক জনপ্রতিনিধরা নির্বাচন আসলে বিভিন্ন আশ্বাস প্রদান করেন, কিন্তু কেউ বাস্তবায়ন করেননি। বিশেষ এখানকার স্থানীয় কৃষক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এলাকাবাসী রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার বা পাকাকরণ দাবি জানিয়েছে প্রশাসনের কাছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মানিক হোসেন বলেন, এই রাস্তাটির সংস্কারের বিষয়ে কয়েকবার ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা অবগত করা হয়েছে। কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। ইতিমধ্য এই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর দরখাস্ত করেছি। এ রাস্তাটির বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলীম লিটন বলেন, সরকারি বরাদ্ধের প্রেক্ষিতে এসব রাস্তার কাজ পর্যায়ক্রমে হবে।