ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৪০ জনের নাম খয়রাত করে বিজ্ঞাপন কেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩
  • ৭৫ Time View

অনলাইন ডেস্ক:

শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্য ৪০ জনের নাম খয়রাত করে কেন বিজ্ঞাপন দিতে হবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাতার সফর নিয়ে সোমবার বিকালে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, এটি কিন্তু ঠিক বিবৃতি না। এটি একটি বিজ্ঞাপন। আমাদের বিশেষ একজন ব্যক্তির পক্ষে। আমার প্রশ্নটা হলো- নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত একজন ব্যক্তির জন্যে ৪০ জনের নাম খয়রাত করে এনে বিজ্ঞাপন দিতে হবে কেন? তাও আবার বিদেশি পত্রিকায়।

তিনি বলেন, আমাদের বিচার বিভাগ স্বাধীন। কেউ যদি আইন ভঙ্গ করে, শ্রমিকদের অধিকার কেড়ে নেয়- আমাদের দেশে আইন আছে। আইন অনুযায়ী সব চলবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কেউ যদি এখন এ সমস্ত বিষয়ে কোনো রকম আইন ভঙ্গ করে বা শ্রমিকদের কোনো অধিকার কেড়ে নেয়, শ্রম আদালত আছে; সেটা দেখে। এই ক্ষেত্রে তো আমার কোনো কিছু করার নাই সরকারপ্রধান হিসেবে। কাজেই আমাকেই বা কেন এখানে বলা হলো? এর বাইরে আমি আর কী বলব! পদ্মা সেতু কিন্তু করে ফেলেছি। খালি এইটুকু সবাইকে স্মরণ করে দিলাম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

হাজীগঞ্জে সাংবাদিক হাবীবের বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া-মাহফিল

৪০ জনের নাম খয়রাত করে বিজ্ঞাপন কেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

Update Time : ০৯:১০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক:

শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্য ৪০ জনের নাম খয়রাত করে কেন বিজ্ঞাপন দিতে হবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাতার সফর নিয়ে সোমবার বিকালে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, এটি কিন্তু ঠিক বিবৃতি না। এটি একটি বিজ্ঞাপন। আমাদের বিশেষ একজন ব্যক্তির পক্ষে। আমার প্রশ্নটা হলো- নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত একজন ব্যক্তির জন্যে ৪০ জনের নাম খয়রাত করে এনে বিজ্ঞাপন দিতে হবে কেন? তাও আবার বিদেশি পত্রিকায়।

তিনি বলেন, আমাদের বিচার বিভাগ স্বাধীন। কেউ যদি আইন ভঙ্গ করে, শ্রমিকদের অধিকার কেড়ে নেয়- আমাদের দেশে আইন আছে। আইন অনুযায়ী সব চলবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কেউ যদি এখন এ সমস্ত বিষয়ে কোনো রকম আইন ভঙ্গ করে বা শ্রমিকদের কোনো অধিকার কেড়ে নেয়, শ্রম আদালত আছে; সেটা দেখে। এই ক্ষেত্রে তো আমার কোনো কিছু করার নাই সরকারপ্রধান হিসেবে। কাজেই আমাকেই বা কেন এখানে বলা হলো? এর বাইরে আমি আর কী বলব! পদ্মা সেতু কিন্তু করে ফেলেছি। খালি এইটুকু সবাইকে স্মরণ করে দিলাম।